ইফেকটিভ মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি

বিজনেসের ক্ষেত্রে মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি একটা অতি পরিচিত টার্ম যেটার সাথে কমবেশি সবাই পরিচিত। একটা বিজনেসকে ওভারঅল সাকসেসফুল করতে এই মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি সবচাইতে বেশি হেল্প করে। ছোট-বড় প্রতিটা বিজনেসেই মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি যেন ইফেকটিভ হয় সেটা নিশ্চিত করা খুবই ইম্পর্ট্যান্ট। তবে যারা একদম বিগিনার তারা অনেক সময়ই বুঝতে পারেননা ঠিক কোন স্টেপগুলো ফলো করার মাধ্যমে তারা নিজেদের বিজনেসের জন্য এনাফ ইফেকটিভ হতে পারে এমন মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করতে পারবেন। তাই আজকের লেখায় আমি শেয়ার করবো ঠিক কিভাবে মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করলে সেটা বিজনেসের জন্য সবচেয়ে বেশি ইফেকটিভ হতে পারে। 

মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি কী এবং কেন প্রয়োজন ? 

মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি হলো এমন একটা ডিটেইলড প্ল্যান কিংবা স্ট্র‍্যাটেজি যেটা কোন কোম্পানির স্পেসিফিক বিজনেস অবজেকটিভ ফুলফিল করার জন্য ডেভেলপ করা হয় ৷ যেকোনো বিজনেসে মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রোল প্লে করে। কেননা এই স্ট্র‍্যাটেজি –

  • একটা বিজনেসের মিশন, ভিশন, বিজনেস গোল ইত্যাদি ডিফাইন করতে হেল্প করে। 
  • কাস্টমারদের ট্রাস্ট গেইন করে বিজনেসে সেল বাড়ায়। 
  • বিজনেস কোম্পানির রেপুটেশন বাড়ায়। 
  • সর্বোপরি যারা টার্গেটেড কাস্টমার তাদের কাছে পৌঁছানোও পসিবল হয় ৷ 

বর্তমানে যত দিন যাচ্ছে পুরো বিজনেস সেক্টরটাও তত বেশি কম্পিটিটিভ হয়ে যাচ্ছে। সুতরাং যদি মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ইফেকটিভ না হয় তাহলে এই হাইলি কম্পিটিটিভ মার্কেটে কোনোভাবেই টিকে থাকতে পারবেননা। তাই, যদি নিজের বিজনেসের পজিশন উঁচুতে নিয়ে যেতে চান, তাহলে মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করার পেছনে যথেষ্ট সময় দেয়া মাস্ট!  

ইফেকটিভ মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করবেন কিভাবে? 

এতক্ষণে নিশ্চয়ই সবাই বুঝতে পেরেছেন যে বিজনেস ছোট হোক কিংবা বড় হোক, মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ইফেকটিভ হওয়া কতটা জরুরি। তাই চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে কিছু স্পেসিফিক স্টেপ ফলো করার মাধ্যমে নিজের বিজনেসের জন্য সুপার ইফেকটিভ মার্কেটিং ডেভেলপ করতে পারেন।

১। SWOT অ্যানালাইসিস করা এবং Value Preposition নির্ণয় করা 

SWOT অ্যানালাইসিস এবং Value Preposition এ দুইটা বিষয় সম্পর্কে বেশিরভাগেরই ক্লিয়ারলি জানা নেই। তাই চলুন এগুলো কি সেটা আগে জেনে নেই। কোন বিজনেসে মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপ করতে চাইলে সে বিজনেসের প্রতিটা খুঁটিনাটি বিষয় জেনে নেয়া মাস্ট। কেননা যদি নিজের বিজনেসের সবকিছু নিজেই ক্লিয়ারলি না জানেন তাহলে যত ইফোর্ট দিয়েই মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করুন না কেন, সেটা রিয়েল লাইফে কোন কাজেই আসবেনা। একারণে নিজের বিজনেস সম্পর্কে আরো ডিটেইলে জানার উদ্দেশ্যেই সবার আগে SWOT অ্যানালাইসিস করা হয় এবং একই সাথে Value Preposition নির্ণয় করা হয় । 

যদি সহজভাবে বলতে যাই, তাহলে বলতে হয় SWOT (Strength, Weakness, Opportunity, Threat) অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে যেকোন বিজনেসের স্ট্রেন্থ , উইকনেস, অপোরচুনিটি এবং থ্রেট এ চারটা বিষয় সম্পর্কে ডিটেইলে জানা পসিবল হয়।

স্ট্রেন্থের মধ্যে নিজের বিজনেসের যেকোন স্ট্রং পয়েন্ট যেমন : ইউনিক প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিস অফার করা, ভালো কাস্টমার সার্ভিস দিতে পারা ইত্যাদি উল্লেখ করা হয়। উইকনেসের মধ্যে বিজনেসের যে বিষয়গুলোতে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে সেগুলো উল্লেখ করা হয়। যেমনঃ যদি সবার কাছে বিজনেসের পরিচিতি কম থাকে কিংবা ইনভেস্টমেন্ট কম থাকে ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ করা হয়।

এরপর অপোরচুনিটির ভেতরে মূলত বিজনেস সাকসেসফুল করার যে চান্সগুলো রয়েছে সেগুলো ইনক্লুড করা হয়। যেমনঃ  যদি নিজের প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিসকে ক্লায়েন্টদের সামনে ইউনিকভাবে প্রেজেন্ট করার আইডিয়া থাকে সেটা উল্লেখ কর‍তে পারেন, আবার ধরুন যদি কম্পিটিটরদের চেয়ে আলাদা কিছু করে ক্লায়েন্টদের নিজের বিজনেসের প্রতি ইন্টারেস্টেড করে তোলার কোন প্ল্যান থাকে সেটাও রাখতে পারেন। সবার শেষে যখন বিজনেসের থ্রেটের মধ্যে বিজনেসের জন্য ক্ষতিকর কিংবা বিজনেসের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে এমন বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। যেমনঃ থ্রেটের মধ্যে কম্পিটিটরদের লিস্ট, যদি দেশের ইকোনমিক কন্ডিশন বাজে হয় সেগুলো রাখতে পারেন। 

মোটকথা SWOT অ্যানালাইসিস করার পর নিজের বিজনেসের ব্যাপারে সবকিছুই আপনার জানা হয়ে যাবে। তাই যদি শুরুতেই এই অ্যানালাইসিস করেন, তাহলে খুব ইজিলি বুঝতে পারবেন ঠিক কিভাবে মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করলে চারপাশে ভালো রকম কম্পিটিশন থাকা সত্ত্বেও সাকসেসফুল হতে পারবেন। 

এছাড়াও SWOT অ্যানালাইসিসের পাশাপাশি নিজের বিজনেসের Value Preposition নির্ণয় করুন৷ Value Preposition এমন একটা প্রোসেস মাধ্যমে একটা বিজনেসের মেইন স্ট্রেন্থ বা স্ট্রং পয়েন্ট সম্পর্কে জানা যায়। এর পাশাপাশি সে বিজনেসটাকে তার কম্পিটিটরদের থেকে কোন কোন দিক দিয়ে আলাদাভাবে আইডেন্টিফাই করা যেতে পারে সেটাও বোঝা যায়। এই Value Preposition নির্ণয় করতে পারলে ইফেকটিভলি মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করার কাজটা অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।

 

২। মার্কেটিং গোলস ডিসাইড করা 

যেকোন কাজ করার আগে যদি একটা গোল সেট করে নেয়া যায় তাহলে কাজটা করার জন্য যেমন মোটিভেশান পাওয়া যায়, একইসাথে বোঝা যায় ঠিক কিভাবে কাজটা করলে সেই সেট করা গোল অ্যাচিভ করা যাবে। ঠিক একারণে ইফেকটিভ মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করতে চাইলে মার্কেটিং গোলস ডিসাইড করা খুবই ইম্পর্ট্যান্ট। 

সাধারণত একেকটা বিজনেসের মার্কেটিংয়ের পেছনে একেকটা গোল থাকে। যেমনঃ কেউ সবার কাছে নিজের বিজনেসের পরিচিতি বাড়াতে চান, কেউ সেল বাড়াতে চান আবার কেউ সবার আগে ক্লায়েন্টদের ট্রাস্ট গেইন করতে চান। মার্কেটিং গোলস ডিসাইড না করেই স্ট্র‍্যাটেজি বানাতে শুরু করলে দেখবেন সাকসেস সেভাবে পাচ্ছেননা। তাই শুরুতেই ভাবুন মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করে নিজের বিজনেসের মার্কেটিং করে আপনি ঠিক কী অ্যাচিভ করতে চাইছেন। মার্কেটিং গোলস ডিসাইড করার সময় সেই গোলস এমনভাবে  ডিসাইড করুন যাতে করে সেগুলো ক্লিয়ার এবং অ্যাচিভেবল হয়। এতে দেখবেন কখনোই ফোকাস হারাবেননা এবং সঠিক ট্র‍্যাকে থেকে মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করতে পারবেন। 

৩। টার্গেটেড ক্লায়েন্ট কারা সেটা জানা 

খুব সহজ একটা প্রশ্নের উত্তর দিন তো। যদি কাদের জন্য মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি বানাবেন সেটা না জেনেই স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করে নিজের বিজনেসের মার্কেটিংয়ের কাজ শুরু করে দেন, তাহলে কখনো কি আশানুরূপ রেজাল্ট পাবেন? কখনোই নয়৷ একারণে নিজের বিজনেসে টার্গেটেড ক্লায়েন্ট কারা সেটা জেনে নেয়ার ট্রাই করুন। এতে করে ঠিক কাদেরকে ফোকাসে রেখে কাজ করতে হবে সেটা বুঝতে পারবেন যা অল্প সময়েই আশানুরূপ রেজাল্ট এনে দেবে। 

নিজের টার্গেটেড ক্লায়েন্ট কারা সেটা জানতে বায়ার পারসোনার হেল্প নিতে পারেন। যেহেতু বায়ার পারসোনা কোন বিজনেসের সম্ভাব্য আইডিয়াল ক্লায়েন্টের সমস্ত ডিটেইল ইনফরমেশন দিয়ে তৈরি করা হয়, তাই বায়ার পারসোনার হেল্প নিলে খুব সহজেই বুঝতে পারবেন এত এত ক্লায়েন্টের ভীড়ে কারা আপনার বিজনেসের আইডিয়াল ক্লায়েন্ট হতে পারে। পাশাপাশি বায়ার পারসোনার সাহায্যে আইডিয়াল ক্লায়েন্টদের প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিস পারচেজ করার পেছনের কারণ, তাদের এক্সপেকটেশন ইত্যাদি সম্পর্কেওও জানা যায় যেটা ইফেকটিভ মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করতে হেল্প করবে৷ 

৩। কম্পিটিটর রিসার্চ করা 

আজকালকার দিনে এমন কোন বিজনেস নেই, যেটাতে কোন কম্পিটিটর থাকেনা। যেই বিজনেস ই করতে আসুন না কেন, কম্পিটিটর থাকবেই যারা প্রতিনিয়ত নিজেদের আইডিয়া এবং স্ট্র‍্যাটেজি কাজে লাগিয়ে সমস্ত ক্লায়েন্টকে তাদের বিজনেস কোম্পানির দিকে আকর্ষণ করার ট্রাই করবে। সুতরাং যদি এসব কম্পিটিটরদের টপকে নিজের বিজনেসের দিকে ক্লায়েন্টদের আকর্ষণ করার জন্য ইফেকটিভ মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করতে চান, তাহলে কম্পিটিটর রিসার্চের পেছনে দিতে হবে বাড়তি সময় এবং ইফোর্ট। মূলত কম্পিটিটরদের সোশাল মিডিয়া প্রোফাইল এবং ওয়েবসাইট এ দুটি প্ল্যাটফর্মে এই রিসার্চ করা হয়ে থাকে। 

তবে কম্পিটিটর রিসার্চের সময় বেশিরভাগই যে ভুলটা করেন সেটা হলো তাদের আইডিয়া কিংবা মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি হুবহু নিজের বিজনেসে অ্যাপ্লাই করেন। এটা কখনোই করা যাবেনা। কারণ কম্পিটিটর রিসার্চের মূল উদ্দেশ্যই হলো কিভাবে কম্পিটিটরদের চাইতে ইউনিকভাবে মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি বানানো যেতে পারে সে সম্পর্কে আইডিয়া নেয়া।

এই রিসার্চের মাধ্যমে বোঝা যায় যে কম্পিটিটরদের স্ট্র্যাটেজি ঠিক কোনদিকে ফোকাস করে ডেভেলপ করা হয়েছে। এতে করে নিজের বিজনেসের জন্য ইউনিক এবং ইফেকটিভ মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করা যায়। 

৪। মার্কেটিং চ্যানেল সিলেক্ট করা 

 বিজনেসে মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে টার্গেটেড ক্লায়েন্টদের কাছে  পৌঁছানোর জন্য মার্কেটিং চ্যানেল সিলেক্ট করতে হয়। অনেকেই রয়েছেন যারা মাল্টিচ্যানেল মার্কেটিং বেছে নেন অর্থাৎ একইসাথে অনেকগুলো প্ল্যাটফর্ম বা চ্যানেলে মার্কেটিং করে থাকেন। 

তবে বিগিনারদের জন্য সাজেশন হিসেবে বলতে চাই, যদি ইফেকটিভ মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করতে চান তাহলে শুরুতেই মাল্টিচ্যানেল মার্কেটিং না করে যেকোনো দুই থেকে তিনটা চ্যানেল বেছে নিন এবং এ চ্যানেলগুলোতে কয়েকমাস কাজ করে দেখুন । যেমন : ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইমেইল, লিংকডিন এই প্রতিটা চ্যানেল একসাথে সিলেক্ট না করে শুরুতে লিংকডইন এবং ইমেইল এই দুইটা চ্যানেলের ওপর বেইজ করে নিজের বিজনেসের মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি বিল্ড আপ করা শুরু করে সে অনুযায়ী কাজ করতে পারেন ৷ এতে করে সে প্ল্যাটফর্মগুলোর অডিয়েন্স সম্পর্কে আরো বেটার আইডিয়া পাবেন যা পরবর্তীতে ইফেকটিভলি মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করতে অনেকটা হেল্প করবে । এরপর  সে স্ট্র‍্যাটেজি থেকে ভালো রেজাল্ট পাওয়া শুরু করলে তখন ধীরে ধীরে বাকি চ্যানেলগুলোতেও মার্কেটিং করতে পারেন। 

৫। মার্কেটিং মেথড এস্টাবলিশ করা 

যেকোন বিজনেসে মার্কেটিং মেথড এস্টাবলিশ করা অত্যন্ত জরুরি। সাধারণত নিজের টার্গেটেড অডিয়েন্সের ধরণের  ওপর ভিত্তি করে মার্কেটিং মেথড কেমন হবে তা ডিটারমাইন করা হয়ে থাকে।এজন্যে শুরুতেই আপনার টার্গেটেড অডিয়েন্সদের কিভাবে আকর্ষণ করা যেতে পারে সেটা রিসার্চ করে বের করুন। তারপর সে অনুযায়ী কিভাবে মার্কেটিং করবেন সেটা ডিসাইড করুন। ধরুন, যদি টার্গেটেড অডিয়েন্সদের বেশিরভাগই সোশাল মিডিয়ার অ্যাকটিভ ইউজার হয়ে থাকে তাহলে নিজের বিজনেসের সোশাল মিডিয়া প্রোফাইলগুলো আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন রেগুলার প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিস রিলেটেড পোস্ট শেয়ারের মাধ্যমে। সবসময় মনে রাখবেন, বিজনেসে ইফেকটিভ মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করতে চাইলে মার্কেটিং মেথড ইফেকটিভ হওয়া ম্যান্ডেটরি। 

যে কাজগুলো কখনোই করবেননা 

নিজের বিজনেসের জন্য ইফেকটিভ মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করার উপায় সম্পর্কে তো ডিটেইলে জানলেন। চলুন এবার জেনে আসা যাক এক্ষেত্রে ঠিক কোন কাজগুলো কখনোই করা যাবেনা । 

  • কম্পিটিটরদের ইগ্নোর করা।
  • বিজনেসের গ্রোথ বাড়াতে তাড়াহুড়া করা। 
  • কাস্টমারদের ডিমান্ড সম্পর্কে এনাফ রিসার্চ না করা। 
  • শুধুমাত্র প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিসের প্রাইজের ওপর বেইজ করে বাকিদের কমপিট করা। 
  • মার্কেটিংয়ের সময় যেটা ক্লায়েন্টদের অফার করা হবে সেটা পরবর্তীতে ফুলফিল না করা। 
  • ইউনিক কিছু করার মেন্টালিটি থেকে সরে আসা। 

মার্কেটিং স্ট্র‍্যাটেজি বিজনেসের এমন একটা পার্ট যেটা সঠিকভাবে ডেভেলপ করতে পারলে বিজনেস সাকসেসফুল হওয়ার পথে আর কোন বাধাই থাকেনা । তাই যদি একজন সাকসেসফুল বিজনেসম্যান হতে চান, তাহলে এই স্ট্র‍্যাটেজি ডেভেলপ করার পেছনে পর্যাপ্ত ইফোর্ট দিন। দেখবেন পরবর্তীতে আর পেছনফিরে তাকাতে হবেনা। 

 

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন:

Leave a Comment